‘১০ বছরে আন্তর্জাতিক মানের হবে দেশের স্বাস্থ্যসেবা’

Last Updated on July 11, 2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) উন্নয়নে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন হলে আগামী ১০ বছরে প্রতিষ্ঠানটি সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত হবে বলে মনে করেন অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার।
শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছরপূর্তি উৎসবে যোগ দিয়ে তিনি এমন প্রত্যাশার কথা জানান। অধ্যাপক সাইফুন নাহার জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের বর্তমান প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীনের সহধর্মিণী।
ডা. সাইফুন নাহার ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়েননি। তারপরও এ প্রতিষ্ঠানকে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আস্থার প্রতীক বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি কিন্তু ডিএমসিয়ান না, তবুও আমরা ভালো লাগছে। কারণ ঢাকা মেডিকেল কলেজের বর্তমান প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. মাজহারুল শাহীন আমার হাজবেন্ড (স্বামী)।
অধ্যাপক সাইফুন নাহার বলেন, চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষতা এবং দেশের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে কোনো আয়োজন করা হলে বা এটার উন্নয়নের লক্ষ্যে যে কোনো আলোচনা বা কাজ হলে, সেখানে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারলে বা থাকতে পারলে আমার খুব ভালো লাগা কাজ করে। সেদিক থেকে আমার আজকে এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুব ভালো লাগছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের প্রতিশ্রুতিতে আশান্বিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও উনার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের উন্নয়নে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন হলে আগামী ১০ বছরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত হবে।
দেশের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে সরকারের উদ্যোগেও আশার আলো দেখছেন ডা. সাইফুন নাহার। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছর পূর্তির উৎসবে যোগ দিয়ে স্বাস্থ্যখাত নিয়েও কথা বলেন তিনি। অধ্যাপক সাইফুন নাহার বলেন, শুধু ঢাকা মেডিকেল কলেজ নয়, স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের সমন্বিত একটি উদ্যোগে সরকারের ৩৫টি মন্ত্রণালয়ের সচিবরা সই করেছেন বলে জেনেছি। সেটা যদি বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা আন্তর্জাতিক মানের হবে।
এদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছরপূর্তি উৎসবে কলেজ ক্যাম্পাস সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে। পুরোনো স্মৃতি স্মরণ করে গল্পে-আড্ডায় যেমন সময় কেটেছে তাদের, তেমনি আগামী দিনে দেশের স্বাস্থ্যখাত কোন পথে হাঁটছে তা নিয়েও আলোচনা করতে দেখা যায় তাদের। দিনভর বৃষ্টির মধ্যেও ঢামেক ক্যাম্পাসে সরব উপস্থিতি চোখে পড়ে।
এএএইচ/এমএএইচ/

Scroll to Top