neimar

ফিরেই ব্রাজিলকে হারতে দিলেন না নেইমার

গোড়ালিতে চোট পাওয়ায় মাঠের বাইরে ছিলেন গত জুন থেকে। খেলতে পারেননি কোপা আমেরিকায়। বার্সেলোনায় ফেরার চেষ্টা করেও পারেননি। এ মৌসুমে নেইমারের খেলা ছাপিয়ে এসব খবরই বড় হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত খেলায় ফিরলেন নেইমার। মিয়ামিতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে এ মৌসুমে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমেছিলেন পিএসজি তারকা। সতীর্থকে দিয়ে গোল করানোর পাশাপাশি নিজেও গোল করে প্রত্যাবর্তনটা স্মরণীয়ই করে রাখলেন নেইমার। তবে জিততে পারেনি তাঁর দল ব্রাজিল। ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে লাতিন আমেরিকান চ্যাম্পিয়নদের।

জেমস রদ্রিগেজ ও রাদামেল ফ্যালকাওকে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল কলম্বিয়া। তবে প্রথমার্ধে তারাই তুলনামূলক বেশি ভালো খেলেছে। গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়েরে মিনা ও হুয়ান কুয়াদ্রাদো। তবে ১৯ মিনিটে কাসেমিরোর ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের কাছে হার মেনে পিছিয়ে পড়ে লাতিন দলটি। নেইমারের কর্নার থেকে অনেক উঁচুতে লাফিয়ে করা হেডে গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদের এ ডিফেন্ডার। পাঁচ মিনিট পরই কলম্বিয়াকে সমতায় ফিরিয়েছেন লুইস মুরিয়েল। অ্যালেক্স স্যান্দ্রোর ফাউল থেকে পাওয়া পেনাল্টিকে কাজে লাগান তিনি।

ম্যাচের আধা ঘণ্টার কাছাকাছি মুহূর্তে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন রিচার্লিসন। এভারটনের ব্রাজিলিয়ান এ ফরোয়ার্ডের শট গোলপোস্ট ঘেঁষে চলে যায়। আধা ঘণ্টার মাথায় অবশ্য কলম্বিয়ার একটি গোল অফসাইড নিয়মে বাতিল করে দেন রেফারি। এর চার মিনিট পরই রজার মার্টিনেজ ও ডুভান জাপাতার খেলা থেকে বল পেয়ে দারুণ শটে ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক এডেরসনকে পরাস্ত করেন মুরিয়েল। ২-১ গোলে এগিয়ে যায় কলম্বিয়া।

বিরতির পর বেশি ভালো খেলেছে ব্রাজিল। ৫২ মিনিটের মাথায় ফিলিপ কুতিনহোর শট কলম্বিয়াকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিল। গোলপোস্ট ঘেঁষে বলটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর ছয় মিনিট পর ব্রাজিলের সমতায় ফেরার মূল কারিগর ছিলেন এই কুতিনহোই। মাঝমাঠ থেকে তাঁর দুর্দান্ত পাস পেয়ে যান দানি আলভেজ। তাঁর কাছ থেকে নেইমার এবং আড়াআড়ি শটে গোল। সমতায় ফেরে ব্রাজিল। কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়নরা এ ম্যাচে চোখধাঁধানো ফুটবল খেলতে না পারলেও অপরাজিত যাত্রাটা ধরে রাখতে পেরেছে। গত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর এ নিয়ে টানা ১৭ ম্যাচে অপরাজিত তিতের দল।

তবে এ ম্যাচে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় প্রশান্তি নেইমার। চোট কাটিয়ে মাঠে নেমে ফিটনেস ও ছন্দে ফেরার প্রমাণ দিয়েছেন এ তারকা। জাতীয় দলের হয়ে ৯৮ ম্যাচে এ নিয়ে ৬১ গোল করলেন নেইমার। আর দুই গোল করলেই রোনালদোকে (৬২) টপকে উঠে আসবেন শীর্ষ দুইয়ে (ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা)। ৭৭ গোল নিয়ে শীর্ষে পেলে।

সূত্র: প্রথম আলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.