sohel_tanvir

সিলেটের ‘নতুন অস্ত্র’ সোহেল তানভীর

গত ১৯ নভেম্বর সিলেট সিক্সার্সের সঙ্গে যোগ দেন পাক তারকা বাবর আজম। এবার নাসির হোসেনের দলে যোগ দিয়েছেন আরেক পাকিস্তানি পেসার সোহেল তানভীর। এ ছাড়া দলটির মেন্টর হিসেবে কাজ করছেন পাকিস্তানি পেস কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনুস।

যোগ দিয়েই অুনশীলন শুরু করেছেন সোহেল তানভীর। চট্টগ্রামে দলের সঙ্গে প্রাকটিস করেছেন তিনি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) এর আগেও খেলেছেন তানভীর। জয়ের ধারায় ফিরতেই দলে সোহেল তানভীরের মতো নতুন অস্ত্র সংযোজন করেছে সিলেট।

উল্লেখ্য, বিপিএল সিজন-ফাইভে’র প্রথম তিন ম্যাচে টানা জয় পায় নাসির হোসেনের নেতৃত্বাধীন সিলেট সিক্সার্স। এরপর হঠাৎ করেই ছন্দপতন। এক লাফে নেমে গেলে টেবিলের পাঁচে। ৯ ম্যাচে ৩ জয় ও ৫ হারে ৭ পয়েন্ট পাওয়া নাসির-সাব্বিররা রয়েছে পঞ্চমস্থানে।

ঢাকাটাইমস

যে কারণে তিনে মাশরাফি

শেষ ওভারের চরম নাটকীয়তায় চিটাগং ভাইকিংসকে পরাজিত করে পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে গেল মাশরাফি বিন মুর্তজার রংপুর রাইডার্স। গেল রাতে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে সবাইকে চমকে দিয়ে তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক। ১৭৭ রান তাড়ায় তখন ধুঁকছে দল। ৫.২ ওভারে দলের রান ১ উইকেটে ৩১। নেমেই ব্যাট হাতে বিধ্বংসী রূপ দেখালেন ম্যাশ। গেইলকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ৬০ রানের জুটি। ঘুরে যায় ম্যাচের মোড়। দলকে উপহার দেন ১৭ বলে ৪২ রান।

কেন তিনে ব্যাটিং করতে নামলেন মাশরাফি। ম্যাচ শেষে নিজ মুখেই সে উত্তর দিলেন রংপুর দলনেতা। ‘তিনে আসার কারণ আসলে স্লগ করার জন্য। রানটাও তখন হচ্ছিল না। আগের দুই ম্যাচেও আসার চিন্তা ছিল। কোনো কারণে হয়নি। আজকে শিশির ছিল, স্পিনাররা টার্ন না পেলে ভালো খেলা সম্ভব। ভাবলাম চেষ্টা করে দেখি। কাজে লেগে গেছে। আসলে কিছু সিদ্ধান্ত ‘আউট অব দা বক্স’ না নিলে এ ধরনের ম্যাচ জেতা কঠিন।’

‘চাপ না। আমি আসলে যখন ব্যাটিংয়ে নামি, সবাই জানে যে আমার উইকেটের কোনো মূল্য নেই। আমি সেই সুবিধা নিতে চাই। চেষ্টা করি দ্রুত কিছু রান করতে। এটিই উদ্দেশ্য থাকে। ব্যাটসম্যান হয়ে ওঠার কোনো ইচ্ছা নিয়ে আমি নামি না। নিজের প্রতি বা দলেরও ও রকম আশা রাখি না যে আমি গিয়ে রান করব। রান করতে পারলে ভালো।’ মন্তব্য মাশরাফির।

তাসকিনকে নিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘তাসকিন যখন আমার দলে থাকে, অধিনায়ক হিসেবে আমি ওকে এ সময় ইয়র্কার দেওয়ার কথা বলি। ইয়র্কারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বোলার সে। চাপের মধ্যে দশবারের অন্তত পাঁচ-ছয়বারই সে ইয়র্কার ভালো করতে পারবে। ওকে বলছিলাম পরে এমন পরিস্থিতিতে পড়লে হয় কী শিশিরের কারণে অনেক সময় স্লোয়ার বল পিচে ধরে না। সে সেরাটাই চেষ্টা করেছে। ১৮তম ওভার দারুণ করেছে। ভাগ্য থিসারার পক্ষে ছিল, ব্যাটে-বলে হয়ে গেছে। বা ওয়াইড না হলে বলটা প্যাডে লাগলে আমরা হেরেও যেতে পারতাম। দিন শেষে ফল তো একদিকে যাবেই। ও দুর্ভাগা, আমরা সৌভাগ্যবান।’

ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.