fakhrulll

খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন হবে না : ফখরুল

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া আগামীতে কোনো নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা আসন থেকে না সরলে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার জনগণের ভোটের অধিকার লুট করেছে। রাজস্ব লুট করেছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে হয়রানি করছে। জনগণের জবাব দিবে। তাদের বিচারও জনগণ করবে।

আওয়ামী লীগ নেতারা লুট করে টাকা বিদেশে জমাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদেরকে জনগণের আদালতে হাজির করে বিচার করা হবে।

এর আগে দীর্ঘদিন পর রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পেয়ে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আশপাশের পুরো এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।

সমাবেশ মঞ্চের আশপাশের ল্যাম্পপোস্ট, বিভিন্ন গাছে, নেতাকর্মীদের হাতে হাতে শোভা পাচ্ছে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন।

সরকার ছোট মনের পরিচয় দিয়েছে: খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সমাবেশে আসতে সরকার বাধা দিচ্ছে। বিএনপির সমাবেশে লোক আসতে বাধা দিয়ে সরকার ছোট মনের পরিচয় দিয়েছে।

আজ রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসমাবেশে দলীয় চেয়ারপারসন এ কথা বলেন। ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করেছে।

খালেদা জিয়া এখনো সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে মত-পথের পার্থক্য থাকবে। তবে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রায় দেড় বছর পর রাজধানীতে বিএনপি এত বড় পরিসরে সমাবেশ করছে, যেখানে দলটির চেয়ারপারসন বক্তব্য দিচ্ছেন। বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ ঢাকায় আসা শুরু করে।

তবে বিএনপির অভিযোগ, সরকার সমর্থকেরা বিএনপির লোকজনকে সমাবেশে আসতে বাধা দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারকে উদ্দেশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এরা যে এত ছোট মনের আজকে তারা দ্বিতীয় দিনের মতো প্রমাণ করে দিয়েছে। এত ছোট মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। এরা মানুষকে ভয় পায় । এজন্য ৭ নভেম্বর আমাদের জনসভা করতে দেয়নি । আজকে অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু জনগণ যেন আসতে না পারে সেই ব্যবস্থা করেছে। গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে। বাইরের জেলার মানুষ যেন না আসতে পারে। রাজধানীর হোটেলগুলোতে অভিযান চালিয়েছে। অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।

খালেদা জিয়া বলেন, এমনকি আমিও যেন সমাবেশে আসতে না পারি সেই ব্যবস্থাও করেছে। আমি বাসা থেকে বের হয়ে দেখি রাস্তায় খালি বাস রেখে দিয়েছে।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে খালেদা জিয়া এসক কথা বলেন। রোববার বেলা সোয়া ৩টার দিকে তিনি সভামঞ্চে ওঠেন। এর আগে দুপুর পৌনে দু’টার দিকে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বিএনপির সমাবেশ শুরু হয়।

এদিকে সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে দলে দলে নেতাকর্মী এসেছেন। দীর্ঘদিন পর রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পেয়ে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করেন। আশপাশের পুরো এলাকা বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। ফলে শাহবাগ থেকে মৎস্যভবন পর্যন্ত যানবাহনের ধীরগতি দেখা গেছে।

‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে এ সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে দুপুর ২টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দীমুখী নেতাকর্মীদের ঢল শুরু হয়।

সমাবেশ মঞ্চের আশপাশের ল্যাম্পপোস্ট, বিভিন্ন গাছে, নেতাকর্মীদের হাতে হাতে শোভা পাচ্ছে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পোস্টার, ব্যানার ফেস্টুন।

Check Also

fakhrulll

সরকারের পায়ের নিচের মাটি সরে গেছে : ফখরুল

‘সরকারের পায়ের নিচের মাটি সরে গেছে বলেই তারা দলীয় সন্ত্রাস ও দুষ্কৃতকারীদের ওপর ভর করেছে’ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Share
Pin