khaleda_adalat

একজন সাক্ষীও যদি বলে থাকেন…

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্কের শুনানি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল তার পক্ষে তৃতীয় কার্যদিবসে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান। ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে আজ আবারও শুনানি হবে।

আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান শুনানিতে যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন, এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা নেই। খালেদা জিয়া এই টাকার ধারেকাছেও নেই। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা কেন? তার একটি রাজনৈতিক জীবন আছে।

মামলায় ৩২ জন সাক্ষীর একজনও বলেননি খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। একজন সাক্ষীও যদি বলে থাকেন যে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন তাহলে তিনি (খালেদা জিয়া) সাজা ভোগ করবেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচারকাজ রাজধানীর বকশীবাজারের কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে চলছে। গতকাল বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে খালেদা জিয়া কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির হন। সাড়ে ১১টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন তার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান।

দুপুর সোয়া ১টায় মধ্যাহ্ন বিরতিতে যান আদালত। বিরতি শেষে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ফের শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে বিকাল চারটায় আদালত প্রাঙ্গণ ছেড়ে যান খালেদা জিয়া। এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের হাজিরাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে আদালত ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শুনানিতে আব্দুর রেজাক খান বলেন, সোনালি ব্যাংকে একটি বিদেশি অনুদান হিসেবে আসা এই টাকা নিয়েই মূলত এই মামলা। কিন্তু সোনালি ব্যাংকের একজন সাক্ষীও বলেননি যে খালেদা জিয়া এই হিসাব খুলেছেন বা এই হিসাব থেকে তিনি টাকা উঠিয়েছেন।

সাক্ষীরা বলেছেন, খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সোনালি ব্যাংকের রেকর্ডপত্র পৌঁছে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কিভাবে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল তার রেকর্ড থাকা দরকার ছিল। অথচ এ সংক্রান্ত কোন রেকর্ডপত্র নেই। মামলা হলো সোনালি ব্যাংকে আসা এই টাকা নিয়ে।

আমি তন্নতন্ন করে খুঁজেছি, সমস্ত রেকর্ড দেখেছি। কেউ বলেনি যে অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে। রেজাক খান বলেন, প্রসিকিউশন বলছে এই টাকা এসেছে সৌদি আরব থেকে। কিন্তু এ সংক্রান্ত সোনালি ব্যাংকের একটি ডকুমেন্টও প্রদর্শন করা হয়নি। টাকার উৎস সম্পর্কে প্রসিকিউশন সঠিক কোনো ডকুমেন্ট আদালতে উপস্থাপন করেনি। কিন্তু আসামিপক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে এ টাকার উৎস কুয়েতের আমীর। এর স্বপক্ষে কুয়েত অ্যাম্বাসির একটি চিঠিও আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার অভিযোগপত্রের বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি তোলেন আব্দুর রেজাক খান। তিনি বলেন, এই টাকা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রেরিত কোনো টাকা ছিল না। এ টাকা স্টেট টু স্টেট প্রেরিত নয়। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেও প্রেরিত নয়। যেখানে দাতার বিশেষ কোনো নির্দেশনাই নেই যে এই টাকা কিভাবে ব্যবহার হবে- সেখানে খালেদা জিয়া কিভাবে এ মামলায় জড়ান? এখানে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের বা অন্যকোন অভিযোগ প্রমাণিত হয় না।

রেজাক খান বলেন, আমরা সকল সাক্ষ্য প্রমাণ দিয়ে প্রমাণ করেছি- খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তার দপ্তরে কোন এতিমখানার তহবিল ছিল না। সাক্ষীদের বক্তব্যেও এসেছে ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে তারা এ সংক্রান্ত মূল ফাইল দেখেননি।

শুনানিতে আব্দুর রেজাক খান বলেন, খালেদা জিয়া এই টাকার ধারেকাছেও ছিলেন না। এমনকি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাও এ সংক্রান্ত কোনো জবানবন্দি দেননি। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব, উপ-সচিব পর্যায়ের ১৫ জন পরিচালক ছিলেন। তাদের তরফেও কোনরকম সাক্ষ্য আসেনি যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এতিম তহবিল হিসেবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বা অন্য কোনোভাবে এই টাকা এসেছিল। কোন সাক্ষীও এটি বলেনি।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা উল্লেখ করে আব্দুর রেজাক খান বলেন, এই ধারায় বলা আছে, একই ধারাবাহিকতায় যদি একই অপরাধ বা ঘটনা ঘটে থাকে, একজন আরেকজনের সঙ্গে যদি জড়িত থাকে তাহলে তাদের একইভাবে বিচার হতে পারে। এই মামলায় অন্য যেসব আসামির সঙ্গে জড়িয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই আসামিদের খালেদা জিয়া চেনেনই না।

কোনো সাক্ষীও বলেননি যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা ছিল। বহিরাগত কিছু লোক যাদেরকে তিনি (খালেদা জিয়া) চেনেন না- তাদের সঙ্গে তাকেও এ মামলার আসামি করা হলো। খালেদার আইনজীবী বলেন, এই টাকা এনেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান (প্রয়াত) তার নিজস্ব উদ্যোগে। এখানে খালেদা জিয়ার বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা নেই। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ কেন? তার একটি রাজনৈতিক জীবন আছে।

এই মামলার সঙ্গে খালেদা জিয়ার মানসম্মান জড়িত। দুদক কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ দিয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। রেজাক খান বলেন, সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাসহ কেউ প্রমাণ করতে পারেনি যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতিতে খালেদা জিয়ার সংশ্লিষ্টতা ছিল।

এ সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র কেউ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেননি। ৩২ সাক্ষীর কেউ বলেননি যে খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। একজন সাক্ষীও যদি বলে থাকেন যে খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন তাহলে তিনি (খালেদা জিয়া) সাজা ভোগ করবেন।

রেজাক খান বলেন, শহীদ মইনুল হোসেন রোডের যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে অভিযোগ করা হয়েছে সেটা জিয়া পরিবারের দীর্ঘদিনের আবাসস্থল ছিল। কিন্তু বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী কোনো বাসভবনে বসবাস করলেই সেটা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে গণ্য হয় না। ফলে ওই বাড়ির ঠিকানা ব্যবহারকে ইস্যু করে খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এটা প্রমাণ করা যাবে না।

আর মামলায় বলা হয়েছে, ‘খালেদা জিয়া টাকা পাওয়ার পর’- কিন্তু এখানে তিনি টাকা পেলেন কিভাবে? এটা অ্যাবসুলেটলি ইলিগ্যাল। এ ছাড়া এ মামলায় তারেক রহমানকে যুক্ত করা হয়েছে কারণ তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু যখন এ টাকা এসেছে এবং অ্যাকাউন্ট ওপেনের মাধ্যমে বণ্টন হয়েছে তখন খালেদা জিয়া নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হননি।

তিনি তখন নিয়মিত সচিবালয়েও যেতেন না। কারণ দেশ তখনও পরিচালিত হচ্ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত নিয়মে। সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর পর খালেদা জিয়া নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হয়েছেন। ফলে এখানে খালেদা জিয়ার ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগই ছিল না। একইভাবে কামাল উদ্দিন সিদ্দিকীর (সাবেক মুখ্য সচিব) সে সুযোগ ছিল না।

রেজাক খান বলেন, এ মামলায় খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও মোমিনুর রহমানের জবানবন্দি নেয়া হয়েছিল কিন্তু প্রসিকিউশন সেগুলো আদালতে উপস্থাপন করেনি। তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের টাকা তছরুপ হয়নি। ফান্ডেই জমা আছে। উল্টো অনেক টাকা লাভ হয়ে পরিমাণে বেড়েছে।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে বিদেশ থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩রা জুলাই রমনা থানায় দুদক এ মামলা করে।

তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ই আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। ২০১৪ সালের ১৯শে মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান,

সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। এ মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ২৬শে জানুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

‘খালেদা জিয়া খালাস পাবেন’

আদালতের কার্যক্রম শেষে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি রাজনৈতিক মামলা। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন- এটা দুদকের ৩২ জন সাক্ষীর একজনও আদালতে বলেননি। এ মামলা খালেদা জিয়াকে হয়রানির জন্য করা হয়েছে।

আমরা আশা করছি, এ মামলায় খালাস পাবেন খালেদা জিয়া।’ সিনিয়র আইনজীবী রেজাক খান একই আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনারা অপেক্ষা করুন। এ মামলায় খালেদা জিয়া অবশ্যই খালাস পাবেন।’ অপরদিকে আদালতের কার্যক্রম শেষে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সাংবাদিকদের বলেন,

এই মামলায় দুদক সাক্ষ্যপ্রমাণ দিয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছি। তিনি বলেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এই মামলা নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন। খালেদা জিয়ার তালিকাভুক্ত আইনজীবী হলেও তিনি কোর্টে আসেন না। তিনি কোর্টে এলে সাক্ষীদের বক্তব্য শুনতেন।

আদালত প্রাঙ্গণে বুলেটপ্রুপ প্রিজন ভ্যান

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরার দিন সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও বুলেট গ্রুফ প্রিজন ভ্যান। অত্যাধুনিক প্রিজনভ্যানটির চালক রফিকুল সাংবাদিকদের বলেন, ইতালি থেকে তিনটি বুলেট প্রুফ প্রিজনভ্যান কেনা হয়েছে।

এর মধ্যে দুটি ডিএমপি ও অন্যটি গাজীপুর পুলিশকে দেয়া হয়েছে। এসব প্রিজন ভ্যানে ছয় স্তরের নিরাপত্তা আছে। এ ছাড়া অন্যদিনের মতো আদালতে প্রবেশের পথে স্থাপন করা হয় আর্চওয়ে। এর পাশপাশি পুলিশের হাতে ছিল হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরও। বিগত সপ্তাহের মতো গতকালও ছিল কঠোর নিরাপত্তা বলয়। বিশেষ জজ আদালত এলাকা ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে হাইকোর্ট এলাকায় নজরদারি ছিল বেশি।

রাস্তায় নেতাকর্মীদের শোডাউন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাজিরা শেষে সড়কে শোডাউন করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বাসার দিকে এগিয়ে দিয়েছে নেতাকর্মীরা। বিকেল পৌনে ৪টায় পুরান ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসার মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালত থেকে বের হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। আদালত থেকে বের হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মোড়ে পৌঁছালেই অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা তার গাড়িবহরে যুক্ত হন।

নেতাকর্মীদের শোডাউনের মধ্য দিয়ে ফিরতি পথে অগ্রসর হন তিনি। গাড়িবহরে নেতাকর্মীরা যুক্ত হওয়ায় রুটে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে হাইকোর্টের মাজার গেটে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তবে গতকালের চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন।

সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের সঙ্গে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিছুক্ষণের জন্য হাইকোর্টের মাজার গেট আটকে রাখলেও খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িটি দোয়েল চত্বর অতিক্রম করার পরপরই গেট খুলে দেয়া হয়। এ সময় মিছিল স্লোগানে গাড়িবহরের সঙ্গে যুক্ত হন হাইকোর্টের চত্বরে অবস্থানরত নেতাকর্মীরা। পরে হাইকোর্টের সামনে অবস্থিত কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন মোড়, কাকরাইল মোড় হয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে অগ্রসর হয় খালেদা জিয়ার গাড়িবহর।

উৎসঃ   মানবজমিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.