fakhrulll

ফখরুলকে আমন্ত্রণ করায় গ্রামবাসীর নবান্ন উৎসব ভণ্ডুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে আমন্ত্রণ করায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সিঙ্গিয়া মুন্সিপাড়া গ্রামবাসীদের নবান্ন উৎসবের সব আয়োজন ভণ্ডুল করে দিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান বলেন, গ্রামবাসীরা তাদের আয়োজিত নবান্ন উৎসবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে নিমন্ত্রণ করেছিল।

নবান্ন উৎসবের আয়োজক ও জগন্নাথপুর ইউপির সাবেক মেম্বার মো. আলম জানান, আমন ধান ঘরে তোলার পর প্রতি বছর ওই গ্রামের কৃষক পরিবারগুলো উৎসবের আয়োজন করে। এই আয়োজনে সব বয়সের নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

এবারও প্রতি বছরের মতো এ গ্রামে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে গ্রামের প্রতিটি পরিবার একশ’ টাকা হারে চাঁদা দেয়।

এই চাঁদা দিয়ে সাত মণ মুরগি, এক হাজার ছয়শ’ ডিম এবং ছয় মণ চাল, সবজিসহ বিভিন্ন উপকরণ কেনা হয়। শুক্রবার ভোর থেকে রান্নার কাজ শুরু হয়।

এ খবর শুনে পুলিশ ওই গ্রামে গিয়ে সব আয়োজন ভণ্ডুল করে দেয়। এ অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে আয়োজকরা নিমন্ত্রণ করে বলে জানান আয়োজক মো. আলম।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও থানার ওসি আবদুল লতিফ মিঞা বলেন, এলাকায় পিকনিক স্পর্ট থাকতে অজপাড়া গায়ে এ আয়োজন কেন? এছাড়াও নিরাপত্তাজনিত কারণে এ আয়োজনের অনুমতি দেয়া হয়নি।

নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা তৈরি হয়নি: মির্জা ফখরুল

‘রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু হলে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা তৈরি হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির নেতাদের সাথে বৈঠক শেষে নিজ বাড়িতে সংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির মহাসচিব আরো বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ওপর আমাদের কোনো আস্থা নেই। এটা আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি। রংপুর নির্বাচনে যত ভালোই করুক, জাপার চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নির্বাচনে নিয়ম ভঙ্গ করেছে কোন ব্যবস্থা নিতে না পারায় আবার প্রমাণিত হয়েছে নির্বাচন কমিশনের গঠন প্রণালিটাই হচ্ছে ভুল। একটা বড় নির্বাচন হলেই বোঝা যাবে, নির্বাচন কমিশন কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জোট সম্পর্কে মির্জা আলমগীর বলেন, জোটের উদ্যোগ আমরা সবসময় নিচ্ছি। আমরা সকলকে জোট করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং নতুন একটি জোট তৈরি হয়েছে। জামায়াতের সাথে আমাদের জোট ভেঙ্গে যায় নাই। নির্বাচনের জন্য, আন্দোলনের জন্য জামায়াতের সাথে আমাদের জোট ভাঙ্গে নাই।

ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের গঠন প্রনালীই হচ্ছে ভুল। দেশের বরেণ্য ব্যক্তিত্বদের নিয়ে, যাদের প্রতি সকলের আস্থা আছে তাদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেছিলাম।

নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংগঠন, কাউকে তুষ্ট করার তার প্রয়োজন নেই। কারণ তারা যখন যে দলের সাথে কথা বলেছেন, তখন তাকেই সন্তুষ্ট করেছেন। দেশের রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলায় নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের বিকল্প নাই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচন সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না হলে আবারও সেই ২০১৪ এর মতো জোর করে নির্বাচন হবে। জোর করে নির্বাচন চাপিয়ে দিলে জনগণ সে নির্বাচন মেনে নিবে না এবং রাজনৈতিক সংকট নিরসন হবে না।

এসময় রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আবুল কালাম আজাদসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Check Also

মঈনকে ক্ষমতা নিতে বলেছিলেন খালেদা জিয়া

২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস এবং সংবিধান বিপন্ন করার এক কলঙ্কিত দিন। আর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Share
Pin