khaleda_adalat

এজলা‌সেই লাঞ্চ করলেন খা‌লেদা

বকশীবাজার মাদ্রাসা মা‌ঠে বি‌শেষ আদাল‌তে হা‌জিরা দি‌তে গি‌য়ে এজলা‌সে ব‌সেই দুপু‌রের খাবার খে‌লেন বিএন‌পি চেয়ারপারসন বেগম খা‌লেদা জিয়া। বৃহস্প‌তিবার বেলা ১১ টা ৫ মি‌নি‌টে তি‌নি এ বি‌শেষ আদাল‌তে হা‌জির হন।

জাতীয়তাবাদী ম‌হিলাদ‌লের সভাপ‌তি আফ‌রোজা আব্বা‌সের বাসা থে‌কে নি‌য়ে আসা হয় এ খাবার। আফ‌রোজা আব্বাস জানান, আমার বাসা থে‌কে নি‌য়ে আসা আতপ চাউ‌লের নরম ভাত, দে‌শি মুরগীর মাংস এবং সব‌জি দি‌য়ে ম্যাডাম (খা‌লেদা) দুপু‌রের খাবার খে‌য়ে‌ছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে হাজির হন তিনি। এর আগে, সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে গুলশানের বাসা থেকে রওনা দেন বিএনপি চেয়ারপার্সন।

এর আগে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০০৮ সালে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুদক।

এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

বিশেষ আদালতে খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক চলছে
ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিশেষ আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক ও শুনানি চলছে।

গতকলের মতো আজ বৃহস্পতিবারও বিশেষ আদলতে বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন।

বুধবার যুক্তিতর্কের শুনানির সময় আবদুর রেজ্জাক খান আদালতকে বলেন, এটি একটি অসার যুক্তিহীন সৃজিত মামলা। গতকাল বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ওইদিনের মতো যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয়। এরপর আদালত প্রাঙ্গণ ছেড়ে যান খালেদা জিয়া।

এর আগে এদিন বেলা ১১টার দিকে আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া। এই মামলায় বুধবার আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। এর আগে গত মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ করে। যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে দুদক খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চায়। দুদকের পক্ষে আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।

তিনি আদালতকে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে।

২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আসামি হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ছয়জন।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এর মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আসামি হলেন খালেদা জিয়াসহ চারজন।

ঘষামাজা ডকুমেন্টে খালেদার জীবনে কলঙ্ক লেপনের চেষ্টা
ঢাকা: খালেদা জিয়ার একটি রাজনৈতিক জীবন রয়েছে। সেখানে কলঙ্ক দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা অপপ্রয়াস মাত্র, এটা কোনো দিনই সফল হবে না। সার্বিকভাবে এটি একটি যুক্তিহীন মামলা। বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান।

বুধবার রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়ার হাজিরা উপলক্ষে এ দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আবদুল আউয়াল মিন্টু, রুহুল কবির রিজভী, মির্জা আব্বাস, আফরোজা আব্বাস প্রমুখ।

এছাড়া খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ, মো. জিয়াউদ্দিন জিয়াসহ শতাধিক আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আবদুর রেজ্জাক আরো খান বলেন, সব সাক্ষীরাই বলেছেন, তারা জানে না এগুলো (ওভাররাইটিং-ঘষামাজা) কে করেছে। ঘষামাজা, ঘষামাজা আর ঘষামাজা দিয়েই চলছে এই মামলা। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় যত ডকুমেন্ট এসেছে তার সবই ‘ওভাররাইটিং-ঘষামাজা’।

rtnn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.