nurul_huda

সরকার চাইলে আগাম নির্বাচন, কমিশন প্রস্তুত রয়েছে: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, আগাম নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সরকার চাইলে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রস্তুত রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

আগাম নির্বাচনের জন্য ইসি প্রস্তুত কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘সরকারের ওপর নির্ভর করে আগাম নির্বাচনের বিষয়টি। তারা যদি আগাম নির্বাচনের ব্যাপারে বলে, তখন আমরা পারব। ৯০ দিনের সময় আছে। আমাদের ব্যালট বাক্স, যা যা দরকার হাতে আছে, শুধু পেপারওয়ার্কগুলো লাগবে।’

এর আগে নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনসে টেরিংক। বৈঠকের বিষয়ে সিইসি বলেন, ইসির ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ণ আস্থা আছে। ইসি ইইউকে আশ্বস্ত করেছে, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এ বিষয়ে কোনো আপস হবে না।

সিইসি বলেন, ইইউ জানতে চেয়েছিল, আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কি না, তাদের জানানো হয়েছে, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। ইসি এ জন্য প্রস্তুত নয়। ইইউ আগামী নির্বাচনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছে।

বৈঠক শেষে ইইউর নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রেনসে টেরিংক বলেন, তাঁরা সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চান। তাঁরা আশা করেন, একটা ভালো নির্বাচনের জন্য ইসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রথম – আলো

নির্বাচনে ইসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে : ইইউ রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেঞ্জি তেরিঙ্ক বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখানে খুবই নতুন। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে ভালো রয়েছে এবং নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনে সব সময় সহযোগিতা করে আসছে উল্লেখ করে রেঞ্জি তেরিঙ্ক বলেন, আমি একমাস আগে বাংলাদেশে এসেছি। আমি নির্বাচন কমিশন, মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনের সঙ্গে দেখা করছি। নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে মিটিং আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্যই আমি এখানে এসেছিলাম। আমাদের পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে কথা হয়েছে। সব বিষয়ে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে।

উৎসঃ   জাগোনিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.