খিদে মেটাতে প্রতি রাতে রাস্তায় নামে ১৮ হাজার তরুণী!

ভয়াবহ আর্থিক সংকটের মুখোমুখী ইউরোপীয় দেশ গ্রিস। গত ছয় বছর ধরে আর্থিক সংকট এখন রীতিমত সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে সেখানে।

বিলাসী জীবন নয়, শুধু পেটের জ্বালা মেটাতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে হাজার হাজার তরুণীকে।
একটি জরিপে দেখা গিয়েছে, খিদে মেটাতে প্রায় ১৮ হাজার তরুণী দেহব্যবসা শুরু করেছেন। সেই সুবাদে পূর্ব ইউরোপে দেহব্যবসায় শীর্ষ অবস্থানে এখন গ্রিস।
গ্রিসের জনজীবন নিয়ে ৩ বছর ধরে জরিপ চালানো অ্যাথেন্স-এর পেন্টিয়ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক লাক্সসের কথায়, কোনও কোনও নারী একটু চিজ বা একটা স্যান্ডউইচের জন্যও দেহ বেচতে রাজি হয়ে যাচ্ছেন। কারণ তাঁরা ক্ষুধার্ত। তাঁদের খাবার চাই। কেউ কেউ আবার বিল মেটানো, কর দেওয়া, জরুরি চাহিদা বা ওষুধ কেনার জন্য এই পথে পা বাড়াচ্ছেন।

গ্রিসে যখন অর্থনৈতিক সংকট শুরু হয়, তখন একজন নিশিকন্যার দর ছিল ৫৩ ডলার। এখন তা ঠেকেছে ২.১২ ডলারে। ৩০ মিনিটের বিনিময়ে এই টাকা হাতে পান দেহব্যবসায়ীরা।

লাক্সসের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ন্যূনতম টাকার বিনিময়ে বিছানায় যাচ্ছেন তাঁরা। এক টুকরো খাবারের জন্য গ্রিসের রাতে পথে বেরুচ্ছেন প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার তরুণী। যাঁদের অধিকাংশেরই বয়স ১৭ থেকে ২০-র মধ্যে।
আওয়ার ইসলাম

বিউটি পার্লারের আড়ালে এসব কী হচ্ছে

সাভারে একটি বিউটি পার্লার ও বাসা-বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার দুপরে ঢাকা জেলা উত্তরের গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা সাভারের জামসিং, বক্তারপুর ও কলমা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ পাঁচ জনকে আটক করছে।

আটককৃতরা হলেন- সাভার পৌর এলাকার জামসিং মহল্লার অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেনের স্ত্রী শাহানাজ বেগম (৩৫), তার সহযোগী গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানা এলাকার কাওরাইত গ্রামের সুরুজ আলীর মেয়ে বিউটিশিয়ান রোমানা আক্তার (৩২), সাভার বক্তারপুর এলাকার ফজর আলী (৫০), কলমা এলাকার দানেশ আলী (২৮) ও নুরুল ইসলাম (২৬)।

গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সাভার পৌর এলাকার জামসিং মহল্লার একটি বিউটি পার্লারে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় তিন হাজার পিছ ইয়াবাসহ পার্লারের মালিক রোমানা আক্তার ও ইয়াবা সরবরাহকারী শাহানাজ বেগমকে আটক করা হয়। তারা দির্ঘদিন ধরে বিউটি পার্লারের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছিল।

অন্যদিকে সকলে গোয়েন্দা পুলিশের অন্য একটি দল সাভারের কলমা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একশ দশ পিছ ইয়াবাসহ মোঃ দাসেশ আলী, নুরুল ইসলাম এবং কলমা এলাকা থেকে একশ পিছ ইয়াবা ও পাঁচশ পুড়িয়া হেরোইনসহ ফজর আলীকে আটক করে। এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা উত্তরের গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএফএম সায়েদ বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হবে।

নিউজ বাংলাদেশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.