লজ্জা নই জানতে হবে। যৌনাঙ্গতে মুখ লাগান যাবে কি ? ইসলামিক ব্যাখা দেখুন ।

স্বামী-স্ত্রী এর মাঝে সঙ্গম একটি হালাল পন্থা। কিন্তু এই হালাল বৈধ কাজটিকে আজকাল হারাম করে ফেলছেন অজ্ঞতার কারনে। আসুন সেক্স নিয়ে দুটি জরুরী তথ্য জেনে নেই।

যে সব ছেলে মেয়েরা একে অপরের যৌনাঙ্গ চুষেনঃ এটা নিকৃষ্ট বিকৃতি পশু ভিক্তিক যৌন আচারন। পুশুদের হাত নেই বলে পুরুষ পশু তার নারী পশুর যৌনাঙ্গতে মুখ লাগিয়ে উত্তেজিত করে। কিন্তু মানুষদের হাত আছে, যৌনাঙ্গতে মূখ লাগিয়ে উত্তেজিত করার প্রয়োজন নেই। এ ক্ষেত্রে হাতই যথেষ্ট।

তাছাড়া যৌনাঙ্গতে মুখ লাগালে যৌনাঙ্গতে লেগে থাকা খুব সহজেই আপনার দেহের ভিতরে প্রবেশ করে। নিষেধ আছে যৌনাঙ্গতে মুখ না লাগানোর। কারণ এই জায়গাটি অপবিত্র, নাপাক।

নাপাক জায়গাতে মুখ লাগালে আপনার মুখও অপবিত্র, নাপাক হয়ে যাবে। আপনার মূখ যাতে নাপাক না হয়, সে জন্য বিকল্প ভাবে মায়ের গর্ভে খাবারের ব্যবস্তা করে আপনাকে লালন করেছেন।

যারা পায়ু পথে সেক্স করেনঃ এই কাজটি জগন্য অপরাধ। যারা এই কাজটি করবে তারা ধংস হয়ে যাবে। পায়ু পথে যারা সেক্স করে তারা জাহান্নামে যাবে। এই বিষয়ে অনেক হাদিসও আছে, আপনি পিছন দিক থেকে করেন, অথবা সামনে দিক থেকে করেন, আপনাকে সেক্স করতে হবে যৌনি পথ দিয়েই। পায়ু পথ দিয়ে সেক্স করলে নারীর যৌন অধিকার লঙ্গণ হয়। তাই বিবাহিত ভাই বোনদের প্রতি অনুরোধ রইলো আপনারা সেক্স করার সময় এই বিষয়গুলি মাথায় রেখে সেক্স করবেন।

সুবহানাল্লাহ, মধ্যরাতে ছোট্ট এই দোয়াটি পড়লে অঢেল সম্পত্তির মালিক হতে পারেন আপনিও !!
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তার সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামগুলোর মধ্যে (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘কাফির মুশরিকদের হীন ও নীচুকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-খাফিদু’
অর্থ : ‘কাফির মুশরিকদের হীন ও নীচুকারী।’

আল্লাহর গুণবাচক নাম (اَلْبَاسِطُ)-এর আমল

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ নামটি মধ্য রাতে বা দ্বিপ্রহরের সময় ১০০ বার পাঠ করবে মহান আল্লাহ তাকে তাঁর সৃষ্টির মধ্যে মনোনীত ও অর্থশালী করেন এবং মুখাপেক্ষীহীন করে দেন।

>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ নামের জিকির প্রতিদিন ৫০০ বার মনোযোগের সঙ্গে পড়ে, আল্লাহ তাআলা তার মনোবাসনা পূরণ করেন।

পরিশেষে…
মুসলিম উম্মাহর উচিত আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামের জিকির করে দুনিয়ার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত থেকে মনের একান্ত চাওয়াগুলো পূরণ করে নিতে পারেন। আল্লাহ তাআলা সবাইকে নিয়মিত এ গুণবাচক নামের জিকির ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন

অর্ধ পৃথিবীর শাসক ওমর (রা) যে চিঠি পাঠ করে এত কেঁদেছেন যে, তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেল

ঠি পাঠ করে হযরত উমর রা. এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেল।

হযরত উমর (রাঃ) এর খিলাফতের প্রথম দিকে হযরত আবু উবাইদা বায়তুল মাল দেখাশুনা করতেন। ঈদের আগের দিন খলীফার স্ত্রী বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।

খলীফা বললেন, ‘আমার নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’। খলীফা পত্নী উম্মে কুলসুম খলীফার আগামী মাসের বেতন থেকে অগ্রিম নেয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করলেন।

খলীফা উমর (রাঃ) হযরত আবু উবাইদাকে খলীফার এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।

সমগ্র মুসলিম জাহানের খলীফা যিনি, যিনি অর্ধ পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পাঠ করে হযরত আবু উবাইদার চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন হযরত আবু উবাইদা (রাঃ) বাহককে টাকা না দিয়ে সিদ্ধান্ত চেয়ে চিঠি লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে। প্রথমত আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?

দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও মুসলমানেরা আপনাকে খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’

চিঠি পাঠ করে হযরত উমর এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে হযরত আবু উবাইদার জন্য দোয়া করলেন, ‘আল্লাহ আবু উবাইদার উপর রহম কর, তাঁকে হায়াত দাও’।

স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক জাতির একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি আছেন, আমার উম্মতের বিশ্বস্ত ব্যক্তি হচ্ছেন আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ’।

এবার আর ঘুমের ট্যাবলেট নয়, যা করলে ১ মিনিটেই ঘুম
আসবে,অনেকেরি অজানা, জেনে নিনি এখনি ।
১ মিনিটেই ঘুম – রাতের বেলা ঘুমোতে গেলে অনেকেরই সহজে ঘুম আসে না। বিছানায় শুয়ে ছটফট করে। সারাদিনের ক্লান্তি শেষে রাতের বেলা একটু প্রশান্তির ঘুম পেতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি।

অনেকের কথা মতো, শোয়ার আগে বেশি করে পানি খাই, পরিশ্রম করে শরীরকে অধিক ক্লান্ত করে ফেলি, যাতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। কিন্তু তাতেও কাজ হয় না। সময়মতো ঘুমানোর জন্য বিছানায় গেলেও এপাশ ওপাশ করতে করতে ঘুম আসে না। বরং চেপে ধরে দুনিয়ার সব চিন্তা আর বিষন্নতা।

তাহলে ভালো ঘুমের জন্য কী করা উচিত, তারই পথ বাতলে দিয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যান্ড্রু ওয়েল। তিনি বলছেন, সুস্থভাবে জীবনযাপনের জন্য রাতের বেলায় পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। এটি কর্মক্ষেত্রে সফলতা পাওয়ারও অন্যতম হাতিয়ার। মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

ভালো ঘুমের উপায়ও বাতলে দেন অ্যান্ড্রু ওয়েল। তিনি এক ধরনের বিশেষ ব্যায়ামের কথা বলেছেন। তা হচ্ছে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, যা ঘুমের জন্য খুবই সহায়ক। ব্যায়ামটি ৪-৭-৮ নামে পরিচিত। যারা অনিদ্রা সমস্যায় ভোগেন তারা ব্যায়ামটি করে খুব তাড়াতাড়ি এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক মিনিটেরও কম সময়ে ঘুমিয়ে পড়তে পারেন।

ব্যায়ামের নিয়ম

প্রথমে ৪ সেকেন্ড নাক দিয়ে খুব ভালো করে শ্বাস নিন।

এরপর ৭ সেকেন্ড দম ধরে রাখুন। শ্বাস ছাড়বেন না।

তারপর ৮ সেকেন্ড ধরে মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন।

এভাবে কয়েকবার করুন এবং ঘুমাতে যান।

প্রশান্তির ঘুম

ব্যায়ামটি ঘুমের ক্ষেত্রে ততটা কার্যকর নয় বলে অনেকেই বলছেন। এতে ১ মিনিটের আগে ঘুম আসার কোনো প্রশ্নই আসে না। তবে একটি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ব্যায়াম শুধু ফুসফুসের উপরে প্রভাব ফেলে না, এটি মস্তিষ্কের উপরেও কাজ করে।

এতে অক্সিজেন মস্তিষ্কে ভালো করে পৌঁছায় এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড দূর হয়ে যায়। তাছাড়া হার্টবিটও কমে আসে এবং দুশ্চিন্তা কমে যায়, যা দেহ ও মনকে প্রশান্তি দেয়। এ কারণেই প্রশান্তির ঘুম হয়।

তবে আমরা যে যা-ই বলি না কেন, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যান্ড্রু ওয়েলের সেই ব্যায়ামটি করার চেষ্টা করি দেখি, তাতে কতটুকু সুফল পাই।

Check Also

ইসলামী বিধান অনুযায়ী সহবাসের পর গোসল না করে কী কী করা যাবে

বেসরকারী চ্যানেল আরটিভির সরাসরি ইসলাম নিয়ে প্রশ্নোত্তরমূলক বিশেষ অনুষ্ঠান ‘শরিফ মেটাল প্রশ্ন করুন’। এ অনুষ্ঠানে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Share
Pin