যে দোয়া পাঠ করলে হাজার বার হজ্জ কারার সমান সওয়াব আমলনামায় লেখা হবে

উচ্চারন ঃ
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু জালীলুল জাব্বারু, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহুল ওয়াহিদুল কাহ্হারু, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আজিজুল গাফ্ফারু, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহুল কারীমুস্ সাত্তারু, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকালাহু ইলাহাওঁ ওয়াহিদাওঁ ওয়া নাহনু লাহু মুসলিমূন, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকালাহু ইলা-হাঁও ওয়াহিদাঁও ওয়া নাহনু লাহু মুখ্লিছুন- লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূূলুল্লাহি ওয়া ছাল্লাল্লাহু আ’লা খাইরি খালক্বিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলিহি ওয়া আছহাবিহী আ’জমাইন । ওয়াছাল্লামা তাসলিমান্ কাছীরান্ কাছীরান্, বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন ।

ফযীলত ঃ
রাসূলে করীম (স) বলছেন, যদি কেহ ছোবহে সাদেকের সময় এ দোয়া পাঠ করে, সে যেন হাজার বার হজ্জ ও সমস্ত কোরআন শরীফ হাজার বার খতম করল এবং সহস্র গোলাম আল্লাহর ওয়াস্তে আজাদ করে দিল । অর্থাৎ এতদসমূদয় ছওয়াব তার আমলনামায় এ দোয়ার বরকতে লিখিত হবে ।

শুধু ইহাই নয় সহস্র শবে ক্বদর লাভের ও সহস্র দিনার আল্লাহর রাহে খরচ করার এবং রাসূলে করীম (স)- এর উপর সহস্র দুরুদ পাঠের ছওয়াবও এ দোয়া পাঠের বরকতে লাভ করবে ।

(সূত্র ঃ ছহীহ্ নূরানী পূর্ণাঙ্গ অজিফা শরীফ ) (দোয়া নং ৮)

বাংলাদেশের এই মসজিদটি নির্মাণ করতে খরচ ৩০ কোটি টাক! ৫২ হাজার শ্রমিক কাজ করেছেন

নির্মাণ করতে খরচ ৩০ কোটি টাকা ঃ

দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ জেলা ভোলায় নির্মিত হয়েছে অত্যাধুনিক সৌন্দর্যমণ্ডিত নয়নজুড়ানো স্থাপনা নিজাম-হাসিনা মসজিদ। এটি নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে নির্মিত।

ভোলা শহরের উকিল পাড়ায় প্রায় দেড় একর জমির ওপর এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ শুক্রবার জুমআর নামাজ আদায়ের মাধ্যমে এ মসজিদটির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় মার্বেল পাথরসহ বিভিন্ন দামি পাথর ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর কারুকার্জ দ্বারা নির্মিত দুই তলা বিশিষ্ট এ মসজিদে রয়েছে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা অজুখানা এবং নামাজের স্থান।

২০১০ সালের জুন মাস থেকে এ মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় ৫২ হাজার শ্রমিক মসজিদ নির্মাণের কাজে অংশ গ্রহণ করেছেন। আর্কিটেক্ট ফোরামের ডিজাইনার কামরুজ্জামান লিটন মসজিদটির দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন করেন।

মসজিদের স্থাপত্য প্রকৌশলী কামরুজ্জান লিটন জানান, শহরের প্রাণকেন্দ্র উকিলপাড়ায় চার গম্বুজ বিশিষ্ট আধুনিক দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটির নির্মাণ কাজ ২০১০ সালের ১ জুন দেড় একর জমির ওপর শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২৯ ডিসেম্বর। মসজিদে ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দুইটি মিনারা রয়েছে। রয়েছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম। মসজিদের দুই পাশে আল্লাহু লেখা সম্বলিত দুইটি ফোয়ারা রয়েছে। মসজিদের চারিকে রয়েছে সৌন্দর্যমণ্ডিত ফুলের বাগান। এ ছাড়া নারীদের জন্য নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। নারীদের জন্য দুইটি অজুখানাসহ ৩২টি অজুখানা এবং দুইটি টয়লেটসহ ১০টি টয়লেট রয়েছে।

মুসলিম পাঠকদের জন্য একটি ইসলামী লাইব্রেরি ও একটি আধুনিক হিফজখানা স্থাপন করা হয়েছে। ইতকাফকারীদের জন্য একটি গোসলখানা রয়েছে। দরজা রয়েছে তিনটি। গেইট রয়েছে দুইটি। খতিব, ইমাম এবং মোয়াজ্জিনের জন্য দুইটি কক্ষ রয়েছে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের জন্য রয়েছে অফিস।

মসজিদের সৌন্দর্য বর্ধনের লক্ষ্যে রাতে আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়েছে। অন্তত আড়াই শ মুসল্লি এ মসজিদে একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে জানান স্থাপত্য প্রকৌশলী কামরুজ্জামান লিটন। আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটি নির্মাণে কত টাকা ব্যয় হয়েছে তা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন মসজিদের নির্মাতা নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমদ। তবে, অনেকের ধারণা মসজিদটি নির্মাণ করতে ৩০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.