মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি করায় মালয়েশীয় নারীর সাজা

হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় শুক্রবার মালয়েশিয়ার এক নারীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই নারী দেশটির চাইনিজ সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর। তার নাম থম ইয়োট মুই (৪৬)।

রাষ্ট্র পরিচালিত ‘বারনামা নিউজ এজেন্সি’র খবরে বলা হয়, ২০১৬ সালে নর্দান পেরাক রাজ্যের একটি মসজিদে ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তির তিনটি মামলায় এই নারীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

একই সঙ্গে তাকে ইপোর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩,৭০০ মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে। তবে, আপীলের সুযোগ থাকায় ওই নারীকে এখনই জেলে যেতে হচ্ছে না। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীলের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে ওই নারীর আইনজীবী জানিয়েছেন।

সূত্র: এএফপি

প্রয়োজনে জেরুজালেমে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত মালয়েশিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের জবাবে জেরুজালেমে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত মালয়েশিয়া। এমন ঘোষণা দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিশামউদ্দিন হোসেন।

গত বুধবার জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন ট্রাম্প। এর প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে বাংলাদেশ সহ মুসলিম বিশ্ব। শুধু মুসলিম বিশ্বই নয়, ইউরোপের অনেক দেশও প্রতিবাদে শরিক হয়েছে।

তাই দৃশ্যত জেরুজালেম যে ফিলিস্তিনের, মুসলিমদের ঐতিহ্য ধারণ করে তার পক্ষে সেখানে স্বেচ্ছায় সেনা পাঠানোর জন্য প্রস্তুতির কথা জানিয়ে দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনবিসি। তারা দ্য মালয় মেইল অনলাইনকে উদ্ধৃত করে এমন খবর প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, শনিবার এক বক্তব্যে হিশামউদ্দিন হোসেন বলেছেন, প্রয়োজন হলে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফের যেকোনো নির্দেশে সেবা দিতে আমরা প্রস্তুত।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। দীর্ঘ সময় তারা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছে। এই ফিলিস্তিন তাদের ভবিষ্যত রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে জেরুজালেমকে। এ নিয়েই ইসরাইলের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব ঘোরতর। ফলে ফিলিস্তিন-ইসরাইল শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

এই জেরুজালেম মুসলিমদের কাছে যেমন পবিত্র, ইহুদি, খ্রিস্টানদের কাছেও তেমনি পবিত্র। ইসরাইলও তাদের রাজধানী দাবি করে জেরুজালেমকে। এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন সহ বড় বড় শক্তিধর দেশগুলো সমাধানের সূত্র খুঁজেতে গিয়ে গলদঘর্ম। কিন্তু কোনো সমাধানই বের করে আনা যায় নি।
rtnn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.