চুলের আগা ফাটা রোধ করবেন যেভাবে

চুলের আগা ফাটা নিয়ে সমস্যায় ভােগেন অনেকেই। বিশেষ করে শীতকালে এই সমস্যা আরো বেশি বেড়ে যায়। চুলের আগা ফাটার কারণে চুল বাড়তে পারে না। দেখতেও বিশ্রী লাগে। তাই সুন্দর চুল পেতে চাইলে আপনাকে করতে হবে কিছু কাজ। চুলের আগা ফাটা রোধ করতে কিছু করণীয় জেনে নেয়া যাক-

গোসলের আগে পুরো চুল ভিজিয়ে নিয়ে ভালো করে মধু মাখিয়ে নিন। চুলের গোঁড়া থেকে শুরু করে আগা পর্যন্ত ভালো করে মধু মাখাবেন। একটু স্টিকি হলেও অসুবিধা নেই। ৫-১০ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলবেন। এতেই বেশ ভালো ফল পাবেন।

নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল কিংবা বাদাম তেল চুলের জন্য অনেক ভালো একটি উপাদান। এই তিনটি তেল একসাথে মিশিয়ে কিংবা আলাদা একটি তেল চুলে ম্যাসাজ করে নিন। সারারাত রেখে সকালে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩/৪ দিন ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

গোসল করে এসে ভেজা চুল আঁচড়ালে চুলের আগা ফাটার প্রবণতা বাড়ে। ভেজা অবস্থায় চুলে জট লেগে থাকে এবং চুল নরম হয়ে থাকে। ফলে চিরুনি দিয়ে জট ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গেলেই চুল ছিড়ে যায় এবং আগা ফেটে যায়।

একটা ডিমের কুসুম (হলুদ অংশ) , দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল আর এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে চুলে লাগান। ১-২ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

চুল অতিরিক্ত ড্রাই হলে মাথায় মেহেদি দেবেন না। মেহেদি চুল আরও বেশি ড্রাই করে ফেলে।

২ টেবিল চামচ টক দই, এক টেবিল চামচ নারকেল তেল, এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ইউজ করতে পারেন। আগা ফাটা রোধ করাসহ চুল সিল্কিও করবে।

খাওয়ার পরেই ঘুমাতে যাবেন না যে কারণে

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নানাজনের নানারকম অভ্যাস থাকে। কেউ বই পড়েন, কেউ গান শোনেন, কেউ মুভি দেখেন, কেউ আড্ডা দেন, কেউবা আবার সটান শুয়ে পড়েন। এসব অভ্যাসের মধ্যে কোনগুলো শরীরের পক্ষে ভালো, কোনগুলোই বা অস্বাস্থ্যকর? সে বিষয় নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু অন্তত একটি কাজ খেয়ে ওঠে শুতে যাওয়ার আগে না করলে হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যা- এমনটাই মনে করছেন ডায়েটিশিয়ান লেজলি ব্যাক।

‘দা গ্লোব অ্যান্ড মেইল’ নামের দৈনিকে লেজলি জানাচ্ছেন, রাতে খেয়ে ওঠার পরে আর কিছু করুন না করুন, দু’তিন ঘণ্টা বেশি কিছুতেই জেগে থাকবেন না। যদি খাওয়ার পরে চার বা পাঁচ ঘণ্টা বাদে শুতে যান, তাহলে শরীরে মেটাবলিজম রেটে যেমন গুরুতর পরিবর্তন আসে, তেমনই ঘুমেও সমস্যা দেখা দেয়।

এর ফলে রক্তচাপের তারতম্য ঘটে এবং হার্টের রোগ দেখা দিতে পারে। কাজেই লেজলির পরামর্শ, যদি রাতে খাওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ জেগে থাকতেই হয় তাহলে ফল কিংবা অন্য কোনো সহজপাচ্য খাবার খেয়ে নিন।

কিন্তু তার অর্থ এ নয় যে, খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমোতে যাওয়ার কথা বলছেন লেজলি। তার বক্তব্য, খেয়ে উঠেই ঘুমিয়ে পড়লে গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল রিফ্লাক্সের ফলে গ্যাস, অম্বল বা বুক জ্বালার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কাজেই খাওয়া এবং ঘুমোতে যাওয়ার মধ্যে ঘণ্টা দেড়-দুই ব্যবধান রাখাই আদর্শ, এমনটাই মত লেজলির।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Share
Pin