khaleda

আজ আদালতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আজ মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে যাবেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে এ দিন দুর্নীতি মামলা দুটির যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য রয়েছে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ১০টায় গুলশানের বাসভবন থেকে আদালতের উদ্দেশে রওনা দেবেন। তিনি ১১টার দিকে আদালতে উপস্থিত হবেন।

জানা গেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আসামি পক্ষের তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলেই রায়ের পর্যায়ে চলে আসবে। এছাড়া শিগগিরই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হবে।

গত ২১ ডিসেম্বর ঢাকা বকশীবাজার আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে অস্থায়ী বিশেষ জজের বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালত মামলাটি দুটি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ২৬-২৮ ডিসেম্বর এ দিন ধার্য করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

মামলায় বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানকে আসামি করা হয়।

এতিমদের জন্য বিদেশি থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

Check Also

khaleda_mirja_tareq

যে কারণে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না বিএনপি

টানা ১৫ বছর ক্ষমতার বাইরে বিএনপি। বিভিন্ন সময় ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Share
Pin