Tuesday , July 23 2019

খালেদার মামলা: আদালত বসছে কারাগারেই

দুর্নীতির এক মামলায় দণ্ডিত বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে থাকা অন্য মামলার শুনানির জন্য কারাগারের ভেতরেই আদালত বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসনকে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়ার পর থেকে তিনি অন্য কোনো মামলায় আর হাজিরা দেননি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে।

এই পরিস্থিতিতে আদালতকেই কারাগারে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বুধবার গণমাধ্যম কর্মীদেরকে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। তিনি জানান, তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আইন মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেকোনো সময় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

এরই মধ্যে নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারের অফিসের একটি কক্ষ বিচার কাজ পরিচালনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন একজন কর্মকর্তা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় যে আদালত দণ্ড দিয়েছে, সেখানে আরও একটি মামলা শেষ পর্যায়ে আছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। আর পুরান ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন নির্ধারণ করেন।

এই মামলায় এখন কেবল খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি আছে। কিন্তু সাত মাসেও আর এই যুক্তি উপস্থাপন হয়নি। ফলে এই মামলার শুনানি কবে শেষ হবে, সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

এর মধ্যে কারাগারে খালেদা জিয়া অসুস্থ বলে খবর ছড়ায় এবং তার চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করে সরকার। বিএনপি নেত্রীকে একবার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে এনে পরীক্ষা নিরীক্ষাও করা হয়। এরপর আরেক দফা তাকে এখানে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু তিনি বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেড ছাড়া অন্য কোথাও যাবেন না বলে জানিয়ে দেন।

বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির আরও চারটি মামলা চলছে এবং তার অনুপস্থিতির জন্য সবগুলো মামলাতেই কার্যক্রম আটকে আছে।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘কারাগারে বেগম খালেদা জিয়ার মামলার বিচারকাজ পরিচালনার জন্য আমরা আইনমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলাম। আজকে গেজেট হওয়ার সম্ভাবনা আছে। গেজেট হলে কাল থেকে কারাগারে বেগম খালেদা জিয়ার মামলার বিচার কাজ চলবে।’

ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.